প্রশ্নের বর্ণনা

a ইসহাক চাখারী
b সেলিনা হোসেন
c রাহাত খান
d ড. নীলিমা ইব্রাহীম
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ড. নীলিমা ইব্রাহীম ১. কেন সঠিক: ড. নীলিমা ইব্রাহীম বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও নারী অধিকারকর্মী ছিলেন যিনি তার সাহিত্যকর্মে নারীর জীবন সংগ্রাম ও মনস্তত্ত্ব তুলে ধরেছেন। ‘কেয়াবন সঞ্চারণী’ এবং ‘বিশ শতকের মেয়ে’ তার বিখ্যাত দুটি উপন্যাস যা তৎকালীন সমাজের নানা দিক ফুটিয়ে তোলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. নীলিমা ইব্রাহীম ১৯২১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। তার রচিত উপন্যাস ও গবেষণাগ্রন্থ সমাজে নারীর অবস্থান এবং তাদের আত্মত্যাগের ইতিহাস স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. নীলিমা ইব্রাহীমের বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিশ শতকের মেয়ে’। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে বিশ শতকের বাঙালি নারীর সামাজিক অবস্থা এবং তাদের সংগ্রাম চিত্রায়িত হয়েছে। উদাহরণ ২: ড. নীলিমা ইব্রাহীমের নাটক ‘আমি বীরঙ্গনা বলছি’। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্যাতিত নারীদের বীরত্বগাথা নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসহাক চাখারী — ইনি একজন ভিন্ন ধারার লেখক হলেও এই উপন্যাস দুটির রচয়িতা নন। B) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও আলোচ্য উপন্যাস দুটি তার লেখা নয়। C) রাহাত খান — তিনি মূলত আধুনিক যুগের কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক, এই উপন্যাসদ্বয়ের সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। D) ড. নীলিমা ইব্রাহীম — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ উল্লেখিত উপন্যাস দুটি তারই রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ড. নীলিমা ইব্রাহীমের নাম মনে রাখলে সাথে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিশ শতকের মেয়ে’ ও ‘কেয়াবন সঞ্চারণী’ মনে রাখা সহজ হয়। নারীদের নিয়ে লেখা সাহিত্যিকদের মধ্যে ড. নীলিমা ইব্রাহীম অন্যতম প্রধান একজন লেখক। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী সাহিত্যিকদের উপন্যাস ও নাটক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ড. নীলিমা ইব্রাহীমের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের নাম জেনে রাখা বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0