প্রশ্নের বর্ণনা

a হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
b মুনিদত্ত
c সুনীতিকুমার
d ড. শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুনিদত্ত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের পদগুলোর অর্থ পরিষ্কার করার জন্য সংস্কৃত ভাষায় যে টিকা বা ব্যাখ্যা লেখা হয়েছিল, তার রচয়িতা হলেন মুনিদত্ত। এই সংস্কৃত টিকার নাম ছিল 'মুনিদত্তের চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' বা 'ষোড়শপাদটিকা', যা চর্যাপদ আবিষ্কারের অন্যতম প্রধান সূত্র ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত ছিলেন চর্যাপদের প্রাচীনতম টিকাকার যিনি চর্যার পদগুলোকে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের সাধনসঙ্গীত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তার এই সংস্কৃত টিকা থেকেই মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকার নাম 'মুনিদত্তের টিকা' বা 'ষোড়শপাদটিকা'। ব্যাখ্যা: মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলোকে সংস্কৃত ভাষায় ব্যাখ্যা করার কারণে এই নামকরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: চর্যাপদের মূল ভাষা ও অর্থ উদ্ধারে মুনিদত্তের টিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ব্যাখ্যা: সংস্কৃত টিকা না থাকলে প্রাচীন বাংলার এই আদি নিদর্শনটির প্রকৃত অর্থ উদ্ধার করা কঠিন হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি চর্যাপদের আবিষ্কারক এবং সংকলক, কোনো টিকাকার নন। B) মুনিদত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) সুনীতিকুমার — ইনি চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে 'ওডিবিএল' গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) ড. শহীদুল্লাহ — ইনি চর্যাপদের কালনির্ণয় ও ভাষা তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন, টিকাকার নন। ৫ মনে রাখার টিপস: টিকা লেখেন মুনি আর আবিষ্কার করেন শাস্ত্রী মহাশয়। এই ছক মনে রাখলে টিকাকার ও আবিষ্কারক নিয়ে আর কোনো কনফিউশন হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর আবিষ্কারক, টিকাকার ও পদের সংখ্যা প্রায়ই আসে। টিকাকারের নাম এলে চোখ বন্ধ করে মুনিদত্ত উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0