প্রশ্নের বর্ণনা

a ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
d ডক্টর সুকুমার সেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: মহ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও গান সংকলন যা সান্ধ বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত। এটি চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত এবং মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তকক্ষ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ ১৯০৯ সালে বিষ্ণুপুরের বাঁকুড়া জেলার এক গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: ময়নামতির গান ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন যা লোকসাহিত্যের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও রচয়িতাদের কাল নির্ণয় এবং সম্পাদনা করেন, তবে আবিষ্কারক নন। B) ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি চর্যাপদের ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে ঐতিহাসিক গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করেছেন কিন্তু আবিষ্কার করেননি। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — ইনি নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং সঠিক উত্তর। D) ডক্টর সুকুমার সেন — তিনি চর্যাপদের বিভিন্ন পদ ও তার টীকাভাষ্যের অনুবাদ ও সাহিত্যিক মূল্যায়ন করেছেন, আবিষ্কারক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কার করেছেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এভাবে মনে রাখতে পারো যে শাস্ত্রী মশাই নেপাল থেকে প্রাচীন শাস্ত্রে ভরা চর্যাপদ খুঁজে এনেছিলেন। আবিষ্কারের সাল মনে রাখতে ১৯০৭ সংখ্যাটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ কোন যুগে রচিত এবং এর আবিষ্কারক কে, এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। চর্যাপদের পদকর্তা সংখ্যা এবং এর ভাষা নিয়ে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতামত ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0