প্রশ্নের বর্ণনা

a যদি ডাক পাই, নিশ্চয়ই যাব।
b কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?
c ওরে. আজ যাসনে ঘরের বাইরে
d ডাক দিয়েছ ভোর-সকালে, শুনিনি তো!
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে? ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে কে এবং আমারে শব্দ দুটি বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। - কে হলো প্রশ্নবাচক সর্বনাম এবং আমারে হলো ব্যক্তিবাচক বা আত্মবাচক সর্বনাম পদ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। - সর্বনাম পদ মূলত বাক্যে বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি রোধ করে এবং ভাষাকে সুন্দর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কে এমন কথা বলেছে? ব্যাখ্যা: এখানে কে শব্দটি কোনো ব্যক্তির নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সর্বনাম পদ। উদাহরণ ২: সবাই আজ সভায় উপস্থিত ছিল। ব্যাখ্যা: এখানে সবাই শব্দটি বিশেষ্য পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত একধরনের অনির্দেশক সর্বনাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যদি ডাক পাই, নিশ্চয়ই যাব। — এই বাক্যে যদি হলো যোজক এবং নিশ্চয়ই হলো একটি অব্যয় পদ। B) কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে? — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে সর্বনাম পদ রয়েছে। C) ওরে আজ যাসনে ঘরের বাইরে — এই বাক্যে ওরে হলো সম্বোধন পদ এবং আজ হলো কালবাচক বিশেষ্য পদ। D) ডাক দিয়েছ ভোর-সকালে, শুনিনি তো! — এই বাক্যে ডাক হলো বিশেষ্য পদ এবং ভোর-সকালে হলো অধিকরণ কারকে বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কার নাম বা কিসের নাম না বুঝিয়ে যখন আমি, তুমি, সে, কে, যা, কেউ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা হয়, তখন সেগুলো সর্বনাম পদ হয়। - বাক্যে বিশেষ্যের বদলি হিসেবে কে বা কি ব্যবহার হলেও তা সর্বনামের অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনাম পদ শনাক্ত করতে বাক্যে নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দগুলো খুঁজে দেখতে হবে। - সর্বনাম পদের প্রকারভেদ যেমন ব্যক্তিবাচক, আত্মবাচক ও প্রশ্নবাচক সর্বনাম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0