প্রশ্নের বর্ণনা

a ডাকাবুকা
b তুলসী বনের বাঘ
c তামার বিষ
d ঢাকের বায়া
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকের বায়া ১. কেন সঠিক: - ঢাকের বায়া বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ ঢাকের বাঁ দিকের চামড়া, যা মূল বাদনের সময় কম গুরুত্ব পায়। - এই বিশেষ অর্থের কারণে কোনো কাজের বা ব্যক্তির অপ্রয়োজনীয়তা বা মূল্যহীনতা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও প্রচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দৰ্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকেজো লোকটাকে এই কমিটিতে রেখে কোনো লাভ নেই, সে তো কেবল ঢাকের বায়া। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির কোনো কার্যকারিতা বা মূল্য নেই বোঝাতে ঢাকের বায়া বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এই ভাঙা নৌকাটি দিয়ে নদী পার হওয়া অসম্ভব, এটি এখন পুরোপুরি ঢাকের বায়া। ব্যাখ্যা: এখানে বস্তুর অপ্রয়োজনীয়তা ও মূল্যহীনতা প্রকাশ করতে বাগধারাটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকাবুকা — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত সাহসী বা বেপরোয়া ব্যক্তি, যা প্রশ্নোক্ত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) তুলসী বনের বাঘ — এই বাগধারাটির অর্থ ভদ্রতার আড়ালে ক্রুর স্বভাব বা ভণ্ড ব্যক্তি, যা প্রদত্ত অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) তামার বিষ — এই বাগধারাটির অর্থ কুসংসর্গ বা অর্থের কুপ্রভাব, যা নির্দিষ্ট এই অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) ঢাকের বায়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল প্রশ্নে এর ব্যাখ্যা প্রযোজ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঢাকের দুটি অংশ থাকে, যার বাঁ দিকটি অর্থাৎ বায়া সাধারণত কম বাজে বা গুরুত্বহীন থাকে। - এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই মূল্যহীন বা অপ্রয়োজনীয় অর্থে ঢাকের বায়া বাগধারাটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপ্রয়োজনীয়তা বোঝাতে ঢাকের বায়া এবং ভণ্ড বোঝাতে তুলসী বনের বাঘ প্রায়ই আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে পারলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0