প্রশ্নের বর্ণনা

a তরঙ্গিনী
b তন্বী
c তরী
d তট
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তরঙ্গিনী ১. কেন সঠিক: - ‘তটিনী’ শব্দের অর্থ নদী, প্রবাহিণী বা স্রোতস্বিনী। ‘তরঙ্গিনী’ শব্দের অর্থও নদী বা যার তরঙ্গ বা ঢেউ আছে। - সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘তটিনী’ ও ‘তরঙ্গিনী’ উভয়েই জলপ্রবাহ বা নদী বোঝাতে সমার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা সমান। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ও তদ্ভব শব্দের আধিক্যের কারণে অনেক সমার্থক শব্দের প্রচলন রয়েছে। - নদী বা প্রবাহ বোঝাতে বাংলা ভাষায় তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী, নদী ইত্যাদি সমার্থক শব্দ ব্যাকরণে ও সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী - তটিনী ব্যাখ্যা: নদী শব্দের একটি অতি পরিচিত ও ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত সমার্থক শব্দ হলো তটিনী। উদাহরণ ২: নদী - স্রোতস্বিনী ব্যাখ্যা: স্রোত আছে যার, অর্থাৎ যার বহমান স্রোত রয়েছে তাকে স্রোতস্বিনী বলা হয় এবং এটিও নদীর সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তটিনী বা নদীর সরাসরি সমার্থক শব্দ। B) তন্বী — এই শব্দের অর্থ কৃষ্ণাঙ্গী, ক্ষীণকায়া বা যার শরীর রোগা বা সুন্দর গড়নের। C) তরী — এই শব্দের অর্থ নৌকা বা জলযান, যা নদী পারাপারের কাজে ব্যবহৃত হয় কিন্তু নদী নিজে নয়। D) তট — এই শব্দের অর্থ নদীর তীর, কূল বা কিনারা, যা নদী বা তটিনী বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - নদীর গায়ে তরঙ্গ থাকে, তাই নদী বা তটিনীর সমার্থক হলো তরঙ্গিনী। নদীর তীর হলো তট এবং নৌকা হলো তরী, এই পার্থক্যগুলো মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই বারবার আসে। তাই তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী ও শৈবালিনী শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0