প্রশ্নের বর্ণনা

a ততকালিণ
b ততকালীণ
c তথকালীণ
d তৎকালীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎকালীন ১. কেন সঠিক: - তৎকাল শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৎকালীন শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কালীন প্রত্যয়যুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ গঠনে বিশেষণ পদ তৈরির সময় কাল শব্দের সঙ্গে ঈন বা ঈন প্রত্যয় যুক্ত হলে দীর্ঘ ঈ কার হয়। - তৎকাল যোগ ঈন মিলে তৎকালীন গঠিত হয় এবং এখানে বানানের নিয়মে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাম্প্রতিক ব্যাখ্যা: সম্প্রতিক শব্দটির সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাম্প্রতিক বানানটি গঠিত হয় যেখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কালীন ব্যাখ্যা: কাল শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত করে নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে এই বিশেষণের বানানটিতে দীর্ঘ ঈ কার লেখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ততকালিণ — এখানে খণ্ড ত এর পরিবর্তে ত এবং দীর্ঘ ঈ কারের বদলে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। B) ততকালীণ — খণ্ড ত এর পরিবর্তে ত ব্যবহার করার কারণে এবং মূর্ধন্য ণ থাকার কারণে এই বানানটি প্রমিত নয়। C) তথকালীণ — মূল শব্দ তৎকাল না লিখে তথকাল লেখার কারণে এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) তৎকালীন — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎকাল শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ যুক্ত করে তৎকালীন বানানটি মনে রাখতে হবে। - কালীন বা ঈন প্রত্যয়যুক্ত অধিকাংশ শব্দে সাধারণত দীর্ঘ ঈ কার বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শুদ্ধ বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় বানানের পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0