প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b দ্বন্দ্ব
c অব্যয়ীভাব
d তৎপুরুষ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিগু ১. কেন সঠিক: - সমাসের নিয়ম অনুযায়ী যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাহার বা মিলন বোঝায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। - এখানে সপ্ত অহ বা সাত অহের সমাহার অর্থে গঠিত হয়েছে যেখানে অহ শব্দের অর্থ দিন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিগু সমাস মূলত তদ্ধিতার্থে বা সমাহারে বিশেষ্য পদ পূর্বে বসে গঠিত তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ রূপ। - এই সমাসে সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে পরিচিত হয় এবং এর ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার শব্দটি যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা ব্যাখ্যা: এখানে তিন ফলের সমাহার বুঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটেছে। উদাহরণ ২: তিন মাথার সমাহার = তেমাথা ব্যাখ্যা: এটিও সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে গঠিত দ্বিগু সমাসের একটি পরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে সংখ্যাবাচক শব্দ ও সমাহার বোঝানো হয়েছে। B) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এবং ও বা সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। C) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় এবং অব্যয়যোগে পদ গঠিত হয়। D) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়ে যদি শেষে সমাহার বা মিলন বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে। - বহুঙ্গী বা দ্বন্দ্ব সমাসের সঙ্গে সংখ্যা মিলিয়ে ফেলবে না কারণ দ্বিগু সমাসে পদের অর্থ সমাহার হিসেবে প্রকাশ পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও বহুব্রীহি সমাসের সংখ্যাবাচক পদের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0