প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c বহুব্রীহি
d তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - রাজপুত্র সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য হলো রাজার পুত্র। এখানে সম্বন্ধ পদের বিভক্তির লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - এখানে রাজার পদটির র বিভক্তি সমস্তপদ তৈরির সময় লোপ পেয়েছে এবং পুত্র পদের অর্থ প্রধান হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাত ফেরত ব্যাখ্যা: বিলাত হইতে ফেরত, এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মধুমাখা ব্যাখ্যা: মধু দিয়া মাখা, এটি করণ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে, যেমন মা ও বাবা। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস নয়। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যেমন নীল যে পদ্ম। তাই এটি কর্মধারয় নয়। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যেমন বিনা জপ যার। তাই এটি বহুব্রীহি নয়। D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিভক্তি লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিভক্তিযুক্ত সমস্তপদে যদি শেষের পদের অর্থ প্রধান থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - র বা এর বিভক্তি লোপ পেলে তা সবসময় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্বন্ধ পদযুক্ত শব্দ দিয়ে প্রায়ই তৎপুরুষ সমাস জানতে চাওয়া হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় যদি বিভক্তি ব্যবহার করতে হয়, তবে বুঝতে হবে সেটি তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0