প্রশ্নের বর্ণনা

a অব্যয়ীভাব
b বহুব্রীহি
c কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - এখানে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষ্য পদ মিলে একটি কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে যেখানে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়। - 'ঈগল নামের যে পাখি' ব্যাসবাক্যটিতে নাম বা উপাধি বোঝাতে কর্মধারয় সমাসের বিশেষ নিয়ম বা রূপক কর্মধারয় সমাসের লক্ষণ দেখা যায়, যেখানে ঈগল হলো পাখির নাম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য অথবা দুটিই বিশেষ্য পদ মিলে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - বিশেষ্য ও বিশেষ্য মিলে যখন একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় বা নাম জ্ঞাপন করে, তখন তা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাপলা ফুল (শাপলা নামের যে ফুল) ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষ্য মিলে একটি নির্দিষ্ট নাম বা বস্তুকে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: টমেটো সবজি (টমেটো নামের যে সবজি) ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদ ও পরপদ মিলে একটি নির্দিষ্ট খাদ্যবস্তুর নাম নির্দেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয় এবং এতে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদ বা অর্থ বোঝায়, যা এই পদের ক্ষেত্রে ঘটে না। C) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে নির্দিষ্ট পাখির নাম বোঝানো হয়েছে। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে পদের সম্পর্ক তৎপুরুষের নিয়মে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো জীব, বস্তু বা ফুলের নামের সাথে যদি সাধারণ নাম যুক্ত থাকে যেমন ঈগল পাখি বা শাপলা ফুল, তবে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হবে। - ব্যাসবাক্যে নামের মাঝে 'নামক' বা 'নামের যে' থাকলে তা কর্মধারয় সমাসের দিকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের নাম বা প্রজাতির নামবাচক সমাস আসলে কর্মধারয় সমাস নির্বাচন করতে হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় সবসময় ব্যাসবাক্যের অর্থ এবং পদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0