প্রশ্নের বর্ণনা

a বহুব্রীহি
b কর্মধারয়
c দ্বন্দ্ব
d তৎপুরুষ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - কু (মন্দ) যে পুরুষ, এভাবে ব্যাসবাক্য করলে পদ দুটির মধ্যে কর্মধারয় সমাস হয়। - এখানে 'কু' উপসর্গটি বিশেষণের কাজ করেছে এবং 'পুরুষ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদই গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদটি বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন এবং পরপদটি বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - কু বা কাপুরুষ শব্দে 'কু' উপসর্গটি সংক্ষিপ্ত হয়ে মন্দ অর্থে বিশেষণের কাজ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাটারুনি (কাটা যে রুনি) ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ গঠন যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য। উদাহরণ ২: নরাধম (নর যে অধম) ব্যাখ্যা: এখানে নর বিশেষ্য পদের সঙ্গে অধম বিশেষণ পদ যুক্ত হয়ে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদের অর্থ বোঝায় না, সম্পূর্ণ নতুন কোনো পদ বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলে সমাস সাধিত হয়েছে। C) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু কাপুরুষ শব্দে উভয় পদের অর্থ প্রধান নয়। D) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কু বা মন্দ অর্থে কোনো বিশেষ্য পদের পূর্বে 'কু' যুক্ত থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় 'যে' শব্দটি ব্যবহার করে কর্মধারয় সমাস সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গযুক্ত অনেক শব্দ কর্মধারয় সমাস হয়, যেমন কুবেলা, কাপুরুষ ইত্যাদি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমাস প্রায়ই আসে, তাই ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের চর্চা বাড়াতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0