প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিগু
b দ্বন্দ্ব
c কর্মধারয়
d তৎপুরুষ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: অচেনা শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় ন চেনা, অর্থাৎ যা চেনা নয়। এখানে না বা ন বোধক অর্থ বোঝাতে অ উপসর্গ যুক্ত হয়েছে এবং পূর্বপদের বিভক্তির লোপ বা না বোধক অর্থে তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নং তৎপুরুষ সমাসে পূর্ব পদে না, নাই বা অ, অন ইত্যাদি না-বোধক অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং পদের অর্থ প্রধান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অর্থ লুপ্ত হয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। নং তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে অ, অন, না বা নাই ইত্যাদি না-বোধক অব্যয় যোগ করে গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানভাবে বোঝায়। অচেনা শব্দটিতে চেনা পদের পূর্বে অ উপসর্গ যুক্ত হয়ে না-চেনা অর্থ প্রকাশ করেছে এবং এটি নং তৎপুরুষ সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপবিত্র ব্যাখ্যা: শব্দটি ভাঙলে হয় ন পবিত্র, যা নং তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী অপবিত্র হয়েছে। উদাহরণ ২: অজানা ব্যাখ্যা: শব্দটি ভাঙলে হয় ন জানা, যা নং তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে গঠিত একটি সাধারণ শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং এর পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা অচেনা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং এবং, ও, কিম্বা সংযোজক অব্যয় দ্বারা গঠিত হয়, যা এখানে নেই। C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু অচেনা শব্দে না-বোধক অর্থ প্রাধান্য পায়। D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নং তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শুরুতে অ বা অন বা না থাকলে এবং তা যদি না-বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তা নং তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারো। ন দিয়ে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করা গেলে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হলে তা তৎপুরুষ সমাস হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় না-বোধক শব্দ দিয়ে প্রায়ই নং তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রশ্ন আসে, তাই উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে সমাসের ধরন ভালোভাবে যাচাই করবে। অচেনা, অজানা, অপবিত্র, অচিন - এই ধরনের শব্দগুলো একই নিয়মে নং তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ব্যাকরণে গণ্য হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0