প্রশ্নের বর্ণনা

a যোগরূঢ় শব্দ
b রূঢ়ি শব্দ
c মৌলিক শব্দ
d তৎসম শব্দ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যোগরূঢ় শব্দ ১. কেন সঠিক: যেসব সমাসনিষ্পন্ন শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ বা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। সমাসের সাধারণ নিয়ম ভেঙে এসব শব্দ সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যোগরূঢ় শব্দ। এটি মূলত সমাসের অর্থের উৎকর্ষ বা পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়, যেখানে ব্যুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে প্রচলিত বা বিশেষ অর্থ প্রাধান্য পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা (পঙ্ক + জ)। এটি বহুব্রীহি সমাস। কিন্তু পঙ্কে নানা কিছু জন্মায় বা পঙ্কজাত উদ্ভিদ না বুঝিয়ে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপুত ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র (ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস)। কিন্তু সাধারণ অর্থে রাজার পুত্র না বুঝিয়ে রাজবংশীয় বিশেষ জাতিকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যোগরূঢ় শব্দ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সমাসের অর্থের ভিন্নতা প্রকাশকারী শব্দের সঠিক সংজ্ঞা। B) রূঢ়ি শব্দ — এটি প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, যেমন প্রবীণ। C) মৌলিক শব্দ — যে শব্দগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ নেই, যেমন হাত। D) তৎসম শব্দ — যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, যেমন চন্দ্র। ৫ মনে রাখার টিপস: যোগরূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো সমাসের সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন কোনো বিশেষ বস্তু, ব্যক্তি বা জাতিকে বোঝাবে, তখনই তা যোগরূঢ় হবে। যেমন পঙ্কজ বা রাজপুত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের গঠন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যোগরূঢ় শব্দ সাধারণত বহুব্রীহি সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়, যেমন পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা ইত্যাদি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0