প্রশ্নের বর্ণনা

a আলোছায়া
b ছায়াতরু
c ছায়াময়
d তরুছায়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলোছায়া ১. কেন সঠিক: - আলোছায়া শব্দটি ব্যাসবাক্য করলে হয় আলো ও ছায়া, যেখানে উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে। - দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং মাঝখানে ও, এবং, বা অব্যয় লোপ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদেরই অর্থের প্রাবল্য বা সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্যে এবং, ও, বা অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয় এবং সমস্ত পদে সেগুলো লুপ্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা-পিতা ব্যাখ্যা: মাতা ও পিতা, এখানে উভয় পদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতভাত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাই-বোন ব্যাখ্যা: ভাই ও বোন, এটিও উভয় পদের অর্থে সমান প্রাধান্য রক্ষাকারী দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলোছায়া — এটি দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ কারণ এর ব্যাসবাক্য আলো ও ছায়া এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান। B) ছায়াতরু — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য ছায়া প্রদানকারী তরু। C) ছায়াময় — এটি রূপক কর্মধারয় বা তৎপুরুষ জাতীয় শব্দ যা দ্বন্দ্ব সমাসের আওতাভুক্ত নয়। D) তরুছায়া — এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস যার ব্যাসবাক্যের রূপ হয় তরুর ছায়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত পদে দুটি বিপরীত বা সমার্থক শব্দ জোড়ায় বসে এবং মাঝে ও বা এবং উজ্জ্বত থাকে, চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - আলো ও ছায়া দুটি আলাদা পূর্ণাঙ্গ শব্দের সমাহার হওয়ায় এটি সহজে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিনে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিপরীতার্থক ও সমার্থক শব্দ জোড়া দিয়ে দ্বন্দ্ব সমাস বেশি প্রশ্ন করা হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে হবে এবং ব্যাসবাক্য করে কোন পদের অর্থ প্রধান তা নির্ধারণ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0