প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c রমেশচন্দ্র দত্ত
d তারাশঙ্কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রমেশচন্দ্র দত্ত ১. কেন সঠিক: - রমেশচন্দ্র দত্তের চারটি ঐতিহাসিক উপন্যাস একত্রে সংকলিত করে 'শতবর্ষ' নামে প্রকাশ করা হয়েছে। - এই সংকলনটিতে তার বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোকে একত্রে স্থান দেওয়া হয়েছে যা বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রমেশচন্দ্র দত্ত ছিলেন বাংলা উপন্যাসের উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ও ঐতিহাসিক। - তার ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে বঙ্গালা ইতিহাস এবং সুদূর অতীতের জীবনযাত্রা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবিজেতা ব্যাখ্যা: এটি রমেশচন্দ্র দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা তার মুন্সিয়ানা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: মাধবীঙ্কন ব্যাখ্যা: এটিও রমেশচন্দ্র দত্তের একটি জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম যা ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও তার চারটি উপন্যাস একত্রে 'শতবর্ষ' নামে সংকলিত হয়নি। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই সংকলনটি তার নয়। D) তারাশঙ্কর — তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তার উপন্যাস নিয়ে এই নির্দিষ্ট সংকলনটি তৈরি হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - রমেশচন্দ্র দত্তের ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে রাখতে তার নামের প্রথম অক্ষরের সঙ্গে 'শতবর্ষ' শব্দটি মনে রাখতে পারো। - রমেশচন্দ্র দত্তের সাহিত্যকর্ম ইতিহাসনির্ভর হওয়ায় শতবর্ষ নামটির সঙ্গে ঐতিহাসিক কাল পরিক্রমা মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রমেশচন্দ্র দত্তের উপন্যাসগুলোর নাম এবং তাদের ঐতিহাসিক পটভূমি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - ঔপন্যাসিক ও তাদের বিশেষ সংকলন বা ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0