প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
c সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'পালামৌ' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ভ্রমণকাহিনী। লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৮০ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় এই ভ্রমণকাহিনীটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বড় ভাই এবং উনিশ শতকের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক। ভ্রমণকাহিনীর ক্ষেত্রে তাঁর 'পালামৌ' একটি প্রাতঃস্মরণীয় ও ক্লাসিক রচনা হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'কমলাকান্তের দপ্তর' একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও মননশীল রচনা। ব্যাখ্যা: এটি সঞ্জীবচন্দ্রের সমসাময়িক লেখক বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত সৃষ্টি, যা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু' একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও সঞ্জীবচন্দ্রের সমসমায়িককালের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'পালামৌ' তাঁর রচনা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে শ্রীকান্ত ও গৃহদাহ। B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত লেখক ও কবি হলেও 'পালামৌ' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সে এবং ক্ষুধা। C) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বিখ্যাত 'পালামৌ' ভ্রমণকাহিনীর রচয়িতা। D) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি আঞ্চলিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও 'পালামৌ' তাঁর সৃষ্টি নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো কবি ও হাঁসুলী বাঁকের উপকথা। ৫ মনে রাখার টিপস: সঞ্জীবচন্দ্রের সঞ্জীব মানে জীবন, আর ভ্রমণ করলেই জীবন প্রাণবন্ত হয়। এভাবে মনে রাখতে পারেন পালামৌ ভ্রমণ কাহিনীর লেখক সঞ্জীবচন্দ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণকাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। 'পালামৌ' কোন জাতীয় রচনা এবং এর লেখক কে, তা বারবার পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0