প্রশ্নের বর্ণনা

a আলালের ঘরের দুলাল
b মদ খাওয়া বড় দায়
c অভেদী
d তিনটিই
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তিনটিই ১. কেন সঠিক: প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ এবং উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে আলালের ঘরের দুলাল, মদ খাওয়া বড় দায় এবং অভেদী সবই তাঁর নিজস্ব সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করেন এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম পিয়ারীচাঁদী বা আলালী ভাষা প্রবর্তন করেন। তাঁর এই সাহিত্যকর্মগুলো তৎকালীন সমাজের নানা কুসংস্কার ও অবক্ষয় ফুটিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা। উদাহরণ ২: অভেদী ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক উপন্যাস যেখানে মানবাত্মার উন্নতি ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি উপন্যাস হলেও তিনি অন্যান্য গ্রন্থও রচনা করেছেন, তাই এককভাবে এটিই একমাত্র উত্তর নয়। B) মদ খাওয়া বড় দায় — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের একটি সামাজিক কুসংস্কার বিরোধী প্রবচনমূলক গ্রন্থ হলেও এটিই তাঁর একমাত্র রচনা নয়। C) অভেদী — এটি তাঁর রচিত একটি আধ্যাত্মিক উপন্যাস হলেও তাঁর অন্যান্য আরও গ্রন্থ রয়েছে, তাই এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। D) তিনটিই — প্রদত্ত তিনটি গ্রন্থই প্যারীচাঁদ মিত্র কর্তৃক রচিত হওয়ায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও নির্ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো টেকচাঁদ ঠাকুর নামের আড়ালে তিনি সমাজ সংস্কারমূলক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল, অভেদী এবং মদ খাওয়া বড় দায় লিখেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনক বা প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে প্যারীচাঁদ মিত্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একইভাবে টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামটি কার তা মনে রাখা বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0