প্রশ্নের বর্ণনা

a উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
b নদীর জল হ্রাস হয়েছে।
c তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
d তিনি আরোগ্য হইয়াছেন।
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বি, সি এবং ডি তিনটি বাক্যের মধ্যে ব্যাকরণগত ও প্রয়োগগত ত্রুটি রয়েছে। - এই ত্রুটিগুলো সংশোধন না করার কারণে অপশন এ-র দাবি অনুযায়ী ওই বাক্যগুলো শুদ্ধ নয় এবং এই অপশনটিই সামগ্রিক বিচারে সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক অর্থ, প্রত্যয়ের প্রয়োগ এবং সমাসবদ্ধ পদের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। - অনেক সময় বাক্যের শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও তাদের পারস্পরিক প্রয়োগ বা বাগ্ধারাগত রীতি ভুল হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন। ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বাক্য কারণ 'সহ' অর্থে 'স' উপসর্গ যুক্ত হলে দোদুল্যমান বা অতিরিক্ত 'সহ' শব্দ ব্যবহার করা যায় না। উদাহরণ ২: তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন। ব্যাখ্যা: এটি শুদ্ধ বাক্য কারণ এখানে 'স্ত্রীসহ' না লিখে সরাসরি 'সস্ত্রীক' বা 'স্ত্রী সহিত' লেখা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাকি তিনটি বাক্যের কোনোটিই শুদ্ধ নয়। B) নদীর জল হ্রাস হয়েছে — এই বাক্যটি ভুল কারণ জলের ক্ষেত্রে 'হ্রাস' না হয়ে 'কমে যাওয়া' বা 'শুকিয়ে যাওয়া' প্রযোজ্য হতে পারে এবং সঠিক প্রয়োগ হলো নদীর জল কমেছে। C) তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন — এই বাক্যটি ভুল কারণ 'স্বস্ত্রীক' বানানটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হলো 'সস্ত্রীক'। D) তিনি আরোগ্য হইয়াছেন — এই বাক্যটি ভুল কারণ আরোগ্য লাভ বা রোগমুক্তির ক্ষেত্রে 'হাইয়াছেন' না লিখে 'লাভ করিয়াছেন' বা 'সুস্থ হইয়াছেন' লিখতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে বানান, সমাস, প্রত্যয় এবং শব্দের প্রমিত রূপ একত্রে মিলিয়ে দেখতে হবে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে চললে অনেক বাক্যশুদ্ধি সহজেই সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে যেখানে একাধিক ভুল বাক্য অপশনে থাকে। - সঠিক উত্তর নির্বাচনের সময় প্রতিটি অপশনের বাক্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0