প্রশ্নের বর্ণনা

a তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন।
b তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন।
c তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন।
d তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন।
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে ধীরে ধীরে পদটি হাঁটা ক্রিয়ার সম্পাদনের ধরন বা প্রক্রিয়া বোঝাচ্ছে। - যে পদ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ না বুঝিয়ে ক্রিয়াপদের কাজের ভাব কাল বা স্থান নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ বলে। - প্রশ্নোক্ত বাক্যে হাঁটা একটি ক্রিয়া এবং ধীরে ধীরে পদটি কীভাবে হাঁটে তা প্রকাশ করায় এটি একটি ধরণবাচক ক্রিয়া-বিশেষণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাড়িটি খুব দ্রুত চলছে। ব্যাখ্যা: দ্রুত পদটি চলার ধরণ বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। উদাহরণ ২: সে মন দিয়ে পড়াশোনা করছে। ব্যাখ্যা: মন দিয়ে পদটি পড়ার পদ্ধতি বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়া-বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনি প্রতিদিন ধীরে ধীরে হাঁটেন। — এই অপশনটি সঠিক কারণ ধীরে ধীরে পদটি হাঁটা ক্রিয়ার ধরণ নির্দেশ করছে। B) তিনি প্রতিদিন বাগানে হাঁটেন। — বাগানে পদটি ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করছে তাই এটি স্থানবাচক পদ কিন্তু সরাসরি ক্রিয়া-বিশেষণ নয়। C) তিনি প্রতিদিন একা একা হাঁটেন। — একা একা পদটি কর্তার অবস্থা বোঝাচ্ছে তাই এটি ক্রিয়ার সরাসরি বিশেষণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। D) তিনি প্রতিদিন লাঠি হাতে হাঁটেন। — লাঠি হাতে পদটি উপকরণ বা সাহায্য বোঝাচ্ছে তাই এটি করণ কারকের অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াপদকে কীভাবে বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই সাধারণত ক্রিয়া-বিশেষণ হয়। - কাজের ধরণ বুঝতে পারলে তা নিশ্চিতভাবেই ক্রিয়া-বিশেষণ পদ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ক্রিয়ার ধরণ ও স্থানবাচক পদের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0