প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত
b হিন্দি
c আরবি
d তুর্কি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি বহিরাগত বা বিদেশিব শব্দ। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশিব শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি বিশেষ স্থান রয়েছে এবং এর উৎস তুর্কি ভাষা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো প্রায়শই প্রশাসনিক, পারিবারিক বা সামরিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং এটি পেশাবাচক একটি বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়, কিন্তু বাবা শব্দটি সংস্কৃত উৎস থেকে আসেনি। B) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকেও বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে, তবে বাবা শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি। C) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলা ধর্মে ও সংস্কৃতিতে অনেক শব্দ আসলেও বাবা শব্দটি আরবি ভাষার শব্দ নয়। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে বাবু, বাবা, বেগম ও তোপ শব্দগুলো একই ভাষা থেকে এসেছে। - পারিবারিক সম্পর্ক ও উপাধি সূচক কিছু বিদেশি শব্দ প্রায়ই তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে তুর্কি, আরবি, ফার্সি ও পর্তুগিজ শব্দের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - শব্দগুলোর সঠিক উৎস মনে রাখতে উৎসভিত্তিক তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0