প্রশ্নের বর্ণনা

a আরবি
b ফারসি
c উর্দু
d তুর্কি
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরবি ১. কেন সঠিক: মর্সিয়া শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। আরবি মর্স ধাতু বা রিনা ধাতু থেকে মর্সিয়া শব্দের উৎপত্তি হয়েছে, যার অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম। ইসলাম ধর্মের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত শোকগাথা বা বিষাদমূলক কবিতাকে মর্সিয়া বলা হয়, যা কারাবাসের বা শোকের ঘটনার ওপর রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হযরত ইমাম হোসেনের শাহাদাত বা কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে রচিত মর্সিয়া সাহিত্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ব্যাখ্যা: এটি মর্সিয়া সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক উদাহরণ যা শোক প্রকাশের ঐতিহ্য বহন করে। উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের মত্তলুল আনওয়ার বা অন্যান্য মর্সিয়া জাতীয় রচনা। ব্যাখ্যা: এসব সাহিত্যকর্মে আরবি মর্সিয়া ধারার প্রভাব স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — এটি সঠিক উৎস ভাষা কারণ মর্সিয়া শব্দটি আরবি মর্স থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলায় এলেও মর্সিয়া শব্দটি সরাসরি ফারসি থেকে আসেনি। C) উর্দু — উর্দু ভাষা বাংলা ভাষায় বহু শব্দ উপহার দিলেও মর্সিয়া শব্দটি উর্দু উৎসের নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষার শব্দ মূলত অস্ত্র, শাসন ও সামরিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা মর্সিয়ার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ইসলাম ধর্মের শোক বা বিলাপ সংক্রান্ত বেশিরভাগ ধর্মীয় পরিভাষা বা শব্দ আরবি ভাষা থেকে এসেছে। মর্সিয়া শব্দটিও শোক বা বিলাপ বোঝায়, তাই এটি আরবি শব্দ হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয় প্রায়ই আসে। ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক শোকগাথা সম্পর্কিত শব্দ যেমন মর্সিয়া বা শহীদ সাধারণত আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0