প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত
b অহমিয়া
c হিন্দি
d তুর্কি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ। - বাংলা ভাষায় আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে তুর্কি শব্দগুলোর একটি বড় অংশ পারিবারিক সম্পর্ক ও প্রশাসনিক পদের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ছাড়াও তুর্কি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ ও গুজরাটি শব্দ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি প্রশাসনিক পদের নাম। উদাহরণ ২: তোপ ব্যাখ্যা: তোপ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত একটি সামরিক বা যুদ্ধাস্ত্র সম্পর্কিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়, কিন্তু বাবা তৎসম শব্দ নয়। B) অহমিয়া — অহমিয়া একটি প্রাকৃত বা আঞ্চলিক ভাষা, যা থেকে বাংলা ভাষার এই নির্দিষ্ট শব্দটি আসেনি। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকেও বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে, তবে বাবা শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে আসেনি। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষার অন্তর্গত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো পরিবার ও যুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু শব্দ যেমন বাবা, দারোগা, তোপ, চাকর তুর্কি ভাষার অন্তর্ভুক্ত। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে শব্দগুলোর ক্ষেত্র বা বিষয়বস্তু আলাদা করে মনে রাখা কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দের উৎস চিহ্নিত করতে বলা হয়। - শব্দমূল ও উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পাঠ্যবইয়ের বিদেশি শব্দের তালিকা বারবার চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0