প্রশ্নের বর্ণনা

a সুলতানী আমল ও মোঘল আমল
b পাঠান আমল ও সুলতানী আমল
c পাঠান আমল ও মোঘল আমল
d তুর্কি আমল ও মোঘল আমল
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাঠান আমল ও সুলতানী আমল ১. কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যকে তিনটি যুগে ভাগ করেছেন এবং মধ্যযুগকে দুটি উপবিভাগে ভাগ করেছেন। তাঁর মতে মধ্যযুগের কালসীমা ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর দুটি ভাগ হলো পাঠান আমল ও সুলতানী আমল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগকে ১০০০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত এবং মধ্যযুগকে ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরেছেন। অন্যান্য পন্ডিত যেমন ড. সুকুমার সেন মধ্যযুগের ভিন্ন কালসীমা নির্ধারণ করলেও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মধ্যযুগকে রাজনৈতিক ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মধ্যযুগের কালসীমার অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্যের ধারা ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই সাহিত্যধারাটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নির্দেশিত রাজনৈতিক আমলের পটভূমিতে বিকশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুলতানী আমল ও মোঘল আমল — এই বিন্যাসটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতের সঙ্গে মেলে না কারণ তিনি মোঘল আমলকে মধ্যযুগের উপবিভাগ হিসেবে ধরেননি। B) পাঠান আমল ও সুলতানী আমল — এই অপশনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মধ্যযুগের দুটি ভাগের সঠিক ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বিভাজন। C) পাঠান আমল ও মোঘল আমল — এই দুটি একত্রে মধ্যযুগের ভাগ হিসেবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ উল্লেখ করেননি। D) তুর্কি আমল ও মোঘল আমল — এটি বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্বীকৃত কোনো উপবিভাগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মধ্যযুগের ভাগ মনে রাখার জন্য পাস শব্দ মনে রাখতে পারো যেখানে প তে পাঠান আমল এবং স তে সুলতানী আমল বোঝায়। রাজনৈতিক পটভূমি মাথায় রাখলে এই ধরনের ঐতিহাসিক যুগবিভাগ সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ড. সুকুমার সেনের যুগবিভাগের কালসীমা প্রায়ই আসে। কালসীমা মুখস্থ করার পাশাপাশি পন্ডিতভেদের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0