প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাপুরুষ
b ঘনশ্যাম
c বিষাদসিন্ধু
d তুষার শুভ্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষাদসিন্ধু ১. কেন সঠিক: - বিষাদসিন্ধু শব্দটিতে বিষাদ রূপ সিন্ধু এভাবে ব্যাসবাক্য হয় যেখানে বিষাদ ও সিন্ধুর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। - উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের মতো এখানে তুলনা বোঝায় না বরং দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে সম্পূর্ণ অভিন্নতা বা একতা প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমিতের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। - সাধারণত এই সমাসের সমস্তপদে পূর্বপদ উপমেয় এবং পরপদ উপমান হয় এবং ব্যাসবাক্যের মাঝে রূপ শব্দটি বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রোদানল ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল এখানে ক্রোধ এবং অনল এক হয়ে গেছে তাই এটি রূপক কর্মধারয় সমাস। উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু এখানে বিষাদের গভীরতা ও সিন্ধুর বিশালতাকে এক অর্থে রূপায়িত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপুরুষ — এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত যেখানে মহান যে পুরুষ অর্থাৎ গুণবাচক বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন ঘটেছে। B) ঘনশ্যাম — এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য ঘন বা মেঘের মতো শ্যাম। C) বিষাদসিন্ধু — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক সমস্তপদ এবং এর ব্যাসবাক্য হলো বিষাদ রূপ সিন্ধু। D) তুষার শুভ্র — এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য তুষারের ন্যায় শুভ্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে সর্বদা রূপ শব্দটি থাকবে। - সাহিত্যিক বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত শব্দ যেমন বিষাদসিন্ধু বা ক্রোদানল দেখলে রূপক কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই উপমান উপমিত ও রূপক সমাসের পার্থক্য ভালো করে বুঝতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করে তারপর সঠিক প্রকারভেদ নির্ধারণ করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0