প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
b চতুর্থী তৎপুরুষ
c ষষ্ঠী তৎপুরুষ
d তৃতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - পোস্ট-অফিস শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পোস্টের নিমিত্তে অফিস, যেখানে নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী বিভক্তি বা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। - এখানে ডাকঘর বা চিঠিপত্রের কার্যাদি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে বা জন্য নির্ধারিত কার্যালয় বোঝাতে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অর্থে জন্য বা অর্থে বিভক্তি লুপ্ত হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - এখানে পোস্টের নিমিত্তে অফিস সমান পোস্ট-অফিস, যেখানে নিমিত্ত বা জন্য বোঝাচ্ছে এবং পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে এই সমাস গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরামকেদারা ব্যাখ্যা: আরামের নিমিত্তে কেদারা সমান আরামকেদারা, এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিসর্জনী ব্যাখ্যা: বিসর্জনের নিমিত্তে নি সমান বিসর্জনী, যেখানে নিমিত্ত অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ — দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে কে বা রে বিভক্তি লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) চতুর্থী তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিমিত্ত বা জন্য অর্থ প্রকাশিত হয়েছে। C) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে র বা এর বিভক্তি লোপ পায়, তবে এখানে কেবল মালিকানা না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা নিমিত্ত বোঝাচ্ছে। D) তৃতীয়া তৎপুরুষ — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে দ্বারা, দিয়া বা কর্তৃক বিভক্তি লোপ পায়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কার্যালয় বা বস্তু যদি নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে তৈরি হয়, তবে সাধারণত তা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। - নিমিত্ত, জন্য বা উদ্দেশ্যে বোঝালে ষষ্ঠী না ভেবে সবসময় চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থে গঠিত তৎপুরুষ সমাসগুলো প্রায়ই বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। - আরামকেদারা, ডাকঘর বা পোস্ট-অফিস জাতীয় শব্দগুলো চতুর্থী তৎপুরুষের নিয়মের আওতাভুক্ত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0