প্রশ্নের বর্ণনা

a চতুর্থী তৎপুরুষ
b প্রাদি তৎপুরুষ
c পঞ্চমী তৎপুরুষ
d তৃতীয়া তৎপুরুষ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝালে সাধিত হয়। - এখানে দেব শব্দের সঙ্গে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অর্থে 'উদ্দেশ্যে' পদটি লোপ পেয়ে সমাসটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি অথবা নিমিত্ত, জন্য, উদ্দেশ্যে ইত্যাদি অনুসর্গ লোপ পায়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - দেবদত্ত শব্দটিতে দেবের নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে দত্ত বোঝানো হয়েছে, যা চতুর্থী তৎপুরুষের অন্যতম প্রধান ব্যাকরণগত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: গুরুকে ভক্তি, এখানে দ্বিতীয় বা চতুর্থী তৎপুরুষের প্রভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ভক্তি প্রকাশ পায়। উদাহরণ ২: ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: ছাত্রদের জন্য আবাস, এখানে নিমিত্ত বা চতুর্থী অর্থে জন্য পদ লোপ পেয়ে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্থী তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে দেবের উদ্দেশ্যে দত্ত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে। B) প্রাদি তৎপুরুষ — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ পূর্বে বসে বিশেষ কৃদন্ত পদের সঙ্গে যে সমাস হয় তা প্রাদি তৎপুরুষ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) পঞ্চমী তৎপুরুষ — পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি বা হইতে, থেকে, চেতে অনুসর্গ লোপ পেলে পঞ্চমী তৎপুরুষ হয়, যা এখানে নেই। D) তৃতীয়া তৎপুরুষ — পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি বা দ্বারা, দিয়া, কর্তক অনুসর্গ লোপ পেলে তৃতীয়া তৎপুরুষ হয়, কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের ব্যাসবাক্যে যদি উদ্দেশ্যে, নিমিত্ত বা জন্য শব্দ ব্যবহৃত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - দেবদত্ত মানে দেবের উদ্দেশ্যে দান বা অর্পণ, তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চতুর্থী তৎপুরুষ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত দেবদত্ত, গুরুভক্তি, ছাত্রাবাস ইত্যাদি শব্দ বেশি আসে। - ব্যাসবাক্য করার সময় যদি জন্য বা উদ্দেশ্যে শব্দ ব্যবহার করা আবশ্যক হয়, তবে তা নিশ্চিতভাবেই চতুর্থী তৎপুরুষ হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0