প্রশ্নের বর্ণনা

a ত্যাগ+অ
b ত+ঘঞ
c ত্যজ্+ঘঞ
d ত্য+ষ্ণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত্যজ্+ঘঞ ১. কেন সঠিক: - 'ত্যাগ' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো ত্যজ্ ধাতু যোগ ঘঞ প্রত্যয়। এটি একটি সংস্কৃত তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়ম মেনে সাধিত শব্দ। - এখানে 'ত্যজ্' হলো ধাতু এবং 'ঘঞ' হলো ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত একটি প্রত্যয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ গঠন করে। ধাতুর সঙ্গে 'ঘঞ' প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। - নিয়ম অনুযায়ী 'ত্যজ্' ধাতুর সঙ্গে 'ঘঞ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ত্যাগ' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে ধাতুর অন্ত্যজ বর্ণ বা ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √প্রচ্ছ + ঘঞ = প্রশ্ন ব্যাখ্যা: প্রচ্ছ ধাতুর সঙ্গে ঘঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রশ্ন শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা ভাববাচক বিশেষ্য প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: √গম্ + ঘঞ = গমন ব্যাখ্যা: গম্ ধাতুর সঙ্গে ঘঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গমন শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা হাঁটা বা যাওয়া ক্রিয়া বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্যাগ+অ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'ত্যাগ' কোনো কৃৎমূল বা ধাতু নয়, বরং এর মূল ধাতু হলো ত্যজ্। B) ত+ঘঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'ত' কোনো ব্যাকরণসম্মত ধাতু বা প্রাতিপদিক নয়। C) ত্যজ্+ঘঞ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য। D) ত্য+ষ্ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'ত্য' কোনো ধাতু নয় এবং এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয়ের প্রয়োগ সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ধাতু এবং ঘঞ প্রত্যয়ের ব্যবহার মনে রাখবে। - জ বা গ দিয়ে শেষ হওয়া ধাতুর ক্ষেত্রে ঘঞ প্রত্যয় যোগের নিয়ম চর্চা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে সঠিক ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0