প্রশ্নের বর্ণনা

a ত + জ
b ত + ঝ
c দ + ঝ
d দ + জ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত + ঝ (এখানে প্রদত্ত প্রশ্নে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। মূল নিয়মানুসারে 'জগজ্জীবন' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো জগৎ + জীবন। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত কিংবা দ-এর পর জ বা ঝ থাকলে ত কিংবা দ স্থানে জ হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'ত + জ' বা 'ত + ঝ' এর ক্ষেত্রে জ-ফলা বা ঝ-ফলার নিয়মে এটি বিচার করা হয়, তবে প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী 'ত + জীবন' হওয়া উচিত। প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী অপشن A নির্বাচিত হলো।) ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে ত-কার কিংবা দ-কারের পর জ বা ঝ থাকলে পূর্ববর্তী ত বা দ স্থানে জ হয়। - 'জগজ্জীবন' শব্দটিতে জগৎ যোগ জীবন মিলে জগজ্জীবন গঠিত হয়েছে, যেখানে প্রথম অংশের অন্তস্থিত ত এবং দ্বিতীয় অংশের আদি জীবন-এর জ যুক্ত হয়ে জ্জ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। - নিয়মানুসারে বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর চ কিংবা জ থাকলে প্রথম বা তৃতীয় বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে জ বা ঝ-এ পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল ব্যাখ্যা: এখানে দ-এর পরে জ থাকায় দ পরিবর্তিত হয়ে জ হয়েছে এবং জ্জ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সৎ + জন = সজ্জন ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর পরে জ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে জ হয়েছে এবং সজ্জন শব্দে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত + জ — এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে কারণ এখানে ত-এর পরে জ যুক্ত হওয়ার নিয়মটি নির্দেশ করে। B) ত + ঝ — ঝ বর্ণটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ 'জীবন' শব্দটির শুরুতে জ রয়েছে, ঝ নেই। C) দ + ঝ — দ-এর পরে ঝ থাকলে তা নিয়ম অনুযায়ী জ হয়, কিন্তু এখানে মূল শব্দে ঝ নেই। D) দ + জ — অপশনটিতে দ বলা হয়েছে, তবে প্রমিত নিয়মে মূল শব্দে ত থাকে এবং অপশনের বিন্যাসে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত বা দ এর পরে জ বা ঝ দেখলে চোখ বন্ধ করে ত বা দ-এর জায়গায় জ বসিয়ে দেবে। - জগজ্জীবন শব্দের মতো জগৎ যোগ জীবন সন্ধিটি বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি খুব ঘন ঘন আসে। - ত-ফলা বা জ্জ যুক্তবর্ণযুক্ত শব্দ দেখলে এই বিশেষ ব্যঞ্জনসন্ধির সূত্রটি প্রয়োগ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0