প্রশ্নের বর্ণনা

a চ, ছ
b ড, ঢ
c ব, ভ
d দ, ধ
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চ, ছ ১. কেন সঠিক: - ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি বিচার করা হয় স্বরতন্ত্রীর কম্পনের ওপর ভিত্তি করে। - উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী যদি কাপে না, তবে সেই ধ্বনিগুলোকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালার প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ এবং শ, ষ, স হলো অঘোষ ধ্বনি। - চ এবং ছ উভয় বর্ণই চ বর্গীয় ধ্বনি এবং যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় এরা অঘোষ ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণকালে স্বরতন্ত্রীর কম্পন অনুযায়ী ধ্বনিগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - যথা ঘোষ ধ্বনি এবং অঘোষ ধ্বনি। - বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ উচ্চারণে স্বরতন্ত্রীতে কম কম্পন হয় বলে এগুলো অঘোষ ধ্বনি। - বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ উচ্চারণে স্বরতন্ত্রীতে বেশি কম্পন হয় বলে এগুলো ঘোষ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক, খ ব্যাখ্যা: ক বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হওয়ায় ক এবং খ ধ্বনি দুটি অঘোষ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ত, থ ব্যাখ্যা: ত বর্গীয় প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হিসেবে ত এবং থ ধ্বনি দুটিও অঘোষ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চ, ছ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চ এবং ছ উভয়ই অঘোষ ধ্বনি। B) ড, ঢ — এই অপশনটি ভুল কারণ ড এবং ঢ হলো ট বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ, যা ঘোষ ধ্বনি। C) ব, ভ — এই অপশনটি ভুল কারণ ব এবং ভ হলো প বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ, যা ঘোষ ধ্বনি। D) দ, ধ — এই অপশনটি ভুল কারণ দ এবং ধ হলো ত বর্গের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণ, যা ঘোষ ধ্বনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রতিটি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ অঘোষ এবং পরের তিনটি বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। - বর্গের ১ ও ২ নম্বর বর্ণ মানেই অঘোষ ধ্বনি হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শ, ষ, স এই তিনটি উষ্ম বর্ণও সর্বদা অঘোষ ধ্বনি হিসেবে বিবেচিত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0