প্রশ্নের বর্ণনা

a দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
b দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
c দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
d দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা ১. কেন সঠিক: - 'দারিদ্র্য' হলো 'দরিদ্র' শব্দের সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য রূপ, যা কোনো বিশেষ অবস্থা বা গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটিতে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে একটি সঠিক বিশেষ্য পদের প্রয়োজন ছিল, যা এখানে নির্ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের গঠনে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় অতিরিক্ত প্রত্যয় যোগ করে দ্বিত্ব দোষ বা বাহুল্য সৃষ্টি করা যায় না। - 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে 'য' বা 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত করে 'দারিদ্র্য' গঠিত হয়, তাই এর সঙ্গে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌজন্য একটি ভালো গুণ ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌজন্য গঠিত হয়েছে, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সৌজন্যতা বলা ভুল। উদাহরণ ২: গুরুত্ব বিষয়টি বুঝতে হবে ব্যাখ্যা: গুরু শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গুরুত্ব গঠিত হয়েছে, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে গুরুত্বতা বলা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। B) দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এখানে বানানের ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানটি হবে দারিদ্র্য। C) দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এখানে দারিদ্র্য শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিত্ব দোষ বা বাহুল্য দোষ করা হয়েছে। D) দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এখানে মূল শব্দ এবং প্রত্যয় দুটিতেই ভুল রয়েছে এবং এটি একটি বহুল প্রচলিত ভুল প্রয়োগ। ৫. মনে রাখার টিপস: - দারিদ্র্য এবং দরিদ্র্যতা দুটি একসঙ্গে বসে না, তাই যেখানে য প্রত্যয় আছে সেখানে তা প্রত্যয় ব্যবহার করা যাবে না। - দীঘল বা দীর্ঘরূপ এড়াতে সংক্ষিপ্ত রূপটি মনে রাখবে যে দারিদ্র্য শুদ্ধ এবং দারিদ্র্যতা অশুদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বাহুল্য দোষ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না, এটি মনে রাখলে শুদ্ধাশুদ্ধি নির্ণয় সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0