প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তম থেকে দ্বাদশ
b অষ্টম থেকে চতুর্দশ শতক
c নবম থেকে চতুর্দশ শতক
d দশম থেকে চতুর্দশ শতক
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সপ্তম থেকে দ্বাদশ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে এর রচনাকাল নির্ধারণ করেছেন সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নির্দেশন এবং বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের আধ্যাত্মিক গান। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রথম প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িত হলেন লুইপা এবং এর মূল সুর ও ভাষা ছিল সান্ধ্যভাষা। ব্যাখ্যা: এই পদটিতে নদী ও সাধনার গভীর তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা চর্যাপদের প্রধান সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি চর্যাপদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সাহিত্যিক পরিচিতি বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম থেকে দ্বাদশ — এই কালসীমা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। B) অষ্টম থেকে চতুর্দশ শতক — এই কালসীমা বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ চর্যাপদের সঠিক ঐতিহাসিক সময়কালকে নির্দেশ করে না। C) নবম থেকে চতুর্দশ শতক — এই সময়ের মধ্যে চর্যাপদের প্রকৃত রচনাকাল ও ভাষার উৎপত্তি সম্পূর্ণরূপে সীমাবদ্ধ নয়। D) দশમ থেকে চতুর্দশ শতক — এই কালসীমা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের শুরুর সময় ধরা হলেও সার্বিক গ্রহণযোগ্যতায় তা সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের আদি ও অন্তকাল মনে রাখতে সাত থেকে বারো এই সংখ্যা দুটি মনে রাখতে পারো। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা অনুযায়ী সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকই এর কালসীমা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা আবিষ্কার করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এর রচনাকাল ও আবিষ্কারক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0