প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তম স্কন্ধ
b অষ্টম স্কন্ধ
c নবম স্কন্ধ
d দশম স্কন্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দশম স্কন্ধ ১. কেন সঠিক: - মাধবাচর্য রচিত শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যে মূল উৎস হিসেবে শ্রীমদ্ভগবতের দশম স্কন্ধকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। - শ্রীমদ্ভগবতের দশম স্কন্ধে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম, বাল্যলীলা, কৈশোরলীলা এবং বৃন্দাবনলীলার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের একটি বিশিষ্ট শাখা হলো শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল, যা মূলত কৃষ্ণভক্তিমূলক কাহিনী অবলম্বনে রচিত। - কবি মাধবাচর্য ষোল শতকের মধ্যযুগের একজন কবি, যিনি সংস্কৃত শ্রীমদ্ভগবত পুরাণ অবলম্বনে এই কাব্য রচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মালাধর বসুর শ্রীকৃষ্ণবিজয় ব্যাখ্যা: এটিও শ্রীমদ্ভগবতের দশম স্কন্ধের অনুসরণে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কৃষ্ণমঙ্গল কাব্য। উদাহরণ ২: কবীন্দ্র পরমেশ্বরের মহাভারত ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের সাহিত্য ধারায় সংস্কৃতির পশরা থেকে বাংলায় অনূদিত বা ভাবানূদিত সাহিত্যকর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম স্কন্ধ — এটি শ্রীমদ্ভগবতের নরসিংহ অবতার ও প্রহ্লাদের ভক্তির কাহিনীর জন্য বিখ্যাত হলেও শ্রীকৃষ্ণমঙ্গলের মূল বিষয় নয়। B) অষ্টম স্কন্ধ — এই স্কন্ধে বামন অবতার ও সমুদ্রমন্থনের কাহিনী আছে, যা শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যের প্রধান ভিত্তি নয়। C) নবম স্কন্ধ — এই স্কন্ধে সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশের রাজাদের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে, যা শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) দশম স্কন্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ শ্রীকৃষ্ণের মূল লীলা ও চরিত্র এই স্কন্ধেই সবচেয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকৃষ্ণের বাল্য ও কৈশোরলীলার মূল উৎস সবসময় শ্রীমদ্ভগবতের দশম স্কন্ধ। - শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যগুলোর প্রধান উৎস খুঁজতে হলে দশম স্কন্ধের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের কৃষ্ণভক্তিমূলক কাব্যের উৎসগ্রন্থ সম্পর্কে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যধারার কবি ও তাঁদের প্রধান উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0