প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তম-অষ্টম শতকে
b অষ্টম-নবম শতকে
c নবম-দশম শতকে
d দশম-একাদশ শতকে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দশম-একাদশ শতকে ১. কেন সঠিক: - বাংলার লিপি বা অক্ষর উন্নয়নের ধারায় দশম থেকে একাদশ শতকের মধ্যে বাংলার নিজস্ব লিপি রূপ পূর্ণতা লাভ করে এবং সারা বাংলায় এর একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার হয়। - প্রাচীন কামরূপী ও গৌড়ীয় লিপির বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির স্বতন্ত্র রূপ এই সময়কালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার ইতিহাস ও লিপি তত্ত্বের অংশ হিসেবে এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। - প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়ে প্রোটো-বাংলা বা আদি-বাংলা লিপির রূপান্তর ঘটে এই সময়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের ভাষা ও লিপি ব্যাখ্যা: চর্যাপদ রচনার কাল ধরা হয় দশম থেকে দ্বাদশ শতক, যার লিপি গঠনে এই সময়ের প্রভাব স্পষ্ট। উদাহরণ ২: সেন আমলের শিলালিপি ব্যাখ্যা: সেন রাজত্বকালে প্রাপ্ত শিলালিপিতে বাংলা অক্ষরের পূর্ণাঙ্গ ও একচ্ছত্র ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম-অষ্টম শতকে — এই সময়ে বাংলা লিপি প্রাচীন ব্রাহ্মী বা কুটিল লিপির প্রভাবে ছিল এবং স্বতন্ত্র রূপ লাভ করেনি। B) অষ্টম-নবম শতকে — এই যুগে বাংলা লিপি গঠনের প্রাথমিক বা রূপান্তর পর্ব চলছিল, একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার হয়নি। C) নবম-দশম শতকে — এই সময়ে লিপির পরিবর্তন ত্বরান্বিত হলেও একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তারের পূর্ণ সময় এটি ছিল না। D) দশম-একাদশ শতকে — এটি সঠিক কারণ এই সময়ে বাংলা অক্ষর সমগ্র বাংলায় তার স্থায়ী ও একচ্ছত্র রূপ লাভ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - লিপি বিস্তারের স্বর্ণযুগ হিসেবে দশম-একাদশ শতককে মনে রাখতে হবে। - অক্ষর বা লিপি পূর্ণতা পায় দশম শতক থেকে শুরু করে একাদশ শতকের মধ্যে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন এবং লিপি বিবর্তনের কালক্রম থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - লিপির উৎস এবং এর বিবর্তনের সময়কাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0