প্রশ্নের বর্ণনা

a দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে
b সচ্ছল বাংলাদেশের সন্ধানে
c স্বনির্ভর স্বদেশের
d দারিদ্রহীন বিশ্বের প্রয়াসে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ ইউনূসের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক বা জীবনদর্শনভিত্তিক গ্রন্থ হলো দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে। - এই গ্রন্থে তিনি মূলত ক্ষুদ্রঋণ এবং সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূর করার নিজস্ব পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ ইউনূস একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। - তাঁর সাহিত্যকর্ম বা গ্রন্থগুলোতে মূলত দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক ব্যবসা সংক্রান্ত ধারণা প্রাধান্য পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Banker to the Poor ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিশ্বখ্যাত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা নিয়ে লেখা। উদাহরণ ২: Creating a World Without Poverty ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তিনি সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে দারিদ্র্যহীন একটি নতুন বিশ্ব গড়ে তোলার রূপরেখা তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি তাঁর রচিত একটি গ্রন্থ। B) সচ্ছল বাংলাদেশের সন্ধানে — এটি ড. মুহম্মদ ইউনূসের লেখা কোনো পরিচিত গ্রন্থ বা আত্মজীবনী নয়। C) স্বনির্ভর স্বদেশের — এই নামে তাঁর কোনো মৌলিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। D) দারিদ্রহীন বিশ্বের প্রয়াসে — এটি সঠিক বইটির নাম নয়, বইটির সঠিক নাম দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ড. মুহম্মদ ইউনূস সবসময় বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য দূর করার কথা বলতেন, তাই তাঁর বইয়ের নামে বিশ্ব ও দারিদ্র্য শব্দ দুটি থাকা স্বাভাবিক। - তাঁর বিখ্যাত কাজের মূল লক্ষ্য ছিল দারিদ্র্য দূর করা, যা এই বইটির নামের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নোবেলজয়ী বাঙালির গ্রন্থ বা আত্মজীবনীমূলক রচনা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ড. মুহম্মদ ইউনূস কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নামও মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0