প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিপ
b দীপ
c দ্বীপ
d দিপ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বীপ ১. কেন সঠিক: - যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদ কোনো সাধারণ নিয়মের বা ব্যাসবাক্যের অধীন নয় এবং ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম না মেনে নিজ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে। - দ্বীপ শব্দের অর্থ যা দুই দিক থেকে জল দ্বারা বেষ্টিত, কিন্তু এর গঠনগত ব্যাসবাক্য সাধারণ নিয়মের বাইরে নিপাতনে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ সাধারণ নিয়মে সমাসবদ্ধ হয় না কিংবা সমাসের কোনো প্রচলিত সূত্র মানে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। - এই ধরনের সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নিয়ম জোর করে প্রয়োগ করা যায় না, বরং এগুলো প্রাক-প্রচলিত রূপ হিসেবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, এটি উপপদ তৎপুরুষ হলেও নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি হিসেবেও গণ্য হয় কারণ এর উৎপত্তি সাধারণ নিয়মের বাইরে। উদাহরণ ২: অন্তর্গত ব্যাখ্যা: অন্তরে গত যা, এটিও নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ যা প্রচলিত নিয়ম বহির্ভূত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিপ — এটি বানানগতভাবে ভুল এবং এই শব্দের প্রচলিত কোনো ব্যাকরণিক অর্থ নেই। B) দীপ — এটি একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ প্রদীপ বা আলো, এটি কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়। C) দ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদ। D) দিপ — এটি বাংলা বানানরীতির পরিপন্থী একটি ভুল বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। - দ্বীপ বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয় এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দ্বীপ, পঙ্কজ, ও অন্তরাত্মা বা এই জাতীয় ব্যতিক্রমী শব্দগুলোর সমাস নির্ণয় করার সময় প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ না করে সরাসরি মুখস্থ রূপটি মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0