প্রশ্নের বর্ণনা

a নলিনীকান্ত ভট্টশালী
b পঞ্চানন মণ্ডল
c আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ
d দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ ১. কেন সঠিক: 'গোরক্ষ বিজয়' মধ্যযুগের নাথ সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন কাব্য। এই কাব্যটির প্রাচীন পুথি আবিষ্কার এবং সম্পাদনার ক্ষেত্রে ড. আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদের অবদান সবচেয়ে বেশি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি মধ্যযুগের নাথ ধর্মে সাধনপদ্ধতি ও যোগসাধনার ওপর রচিত একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো মীননাথ ও গোরক্ষনাথের গুরু-শিষ্যের আধ্যাত্মিক সম্পর্ক এবং অলৌকিক ক্ষমতার লড়াই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত 'গোরক্ষবিজয়' ব্যাখ্যা: শেখ ফয়জুল্লাহ মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি যিনি গোরক্ষবিজয় কাব্যটি রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: শ্যামদাস সেন রচিত 'অক্ষরমালা' ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরেকটি নাথ সাহিত্য ধারার রচনা যা গোরক্ষনাথের জীবনী ও সাধনপদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নলিনীকান্ত ভট্টশালী — তিনি বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে কাজ করলেও গোরক্ষ বিজয় কাব্য সম্পাদনা করেননি। B) পঞ্চানন মণ্ডল — তিনি মূলত মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও বিভিন্ন লোকসাহিত্য সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' এবং 'ময়মনসিংহ গীতিকা' সংকলনের জন্য বিখ্যাত হলেও এই কাব্য সম্পাদনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: নাথ সাহিত্য মানেই প্রাচীন পুথি সংগ্রাহক আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদের নাম স্মরণ করতে হবে। পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের নাথ সাহিত্যের প্রধান দুটি চরিত্র হলো মীননাথ ও গোরক্ষনাথ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নাথ সাহিত্যের প্রধান আদি কবি কে বা কোন কবি গোরক্ষ বিজয় রচনা করেছেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0