প্রশ্নের বর্ণনা

a অসম্ভব কিপটে
b সামান্য ক্রটি
c ক্ষীণজীবী
d দীর্ঘজীবী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষীণজীবী ১. কেন সঠিক: - ‘পুঁটিমাছের প্রাণ’ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ পুঁটিমাছের মতো ছোট ও দুর্বল প্রাণ। - রূপক অর্থে এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার জীবন অত্যন্ত দুর্বল, অল্পতেই যার মৃত্যু হতে পারে বা যে খুব কম সময় বাঁচে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এখানে পুঁটিমাছ একটি ছোট ও দুর্বল জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত, আর তার প্রাণ বলতে অল্প স্থায়িত্বশীল জীবনকে বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রলোকের শরীর যা অবস্থা, তাতে তাঁর পুঁটিমাছের প্রাণ ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। ব্যাখ্যা: এখানে রোগীর অত্যন্ত দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক অবস্থাকে বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এমন সামান্য আঘাতে মানুষ মরে না, কিন্তু ওর তো আবার পুঁটিমাছের প্রাণ। ব্যাখ্যা: ব্যক্তির অতিরিক্ত দুর্বলতা ও সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা বোঝাতে এটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসম্ভব কিপটে — এই অর্থে বাংলা ভাষা যথাক্রমে ‘হাতে কড়ি না থাকা’ বা ‘ছিঁচকাদুনে’ কিংবা ‘হাড় কিপটে’ বাগধারাগুলো ব্যবহৃত হয়, যা ক্ষীণজীবী অর্থ প্রকাশ করে না। B) সামান্য ত্রুটি — এই ভাব প্রকাশের জন্য ‘উনুন পোড়া’ বা ‘খুঁত ধরা’ কিংবা ‘নাকের চুল’ জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়, যা পুঁটিমাছের প্রাণের সঙ্গে মেলে না। C) ক্ষীণজীবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সরাসরি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পূর্ণাঙ্গভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) দীর্ঘজীবী — এটি ক্ষীণজীবী শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে, কারণ দীর্ঘজীবী বলতে দীর্ঘায়ু বা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকাকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুঁটিমাছ যেমন খুব ছোট এবং জালে উঠলেই মারা যায়, তেমনি যার জীবন খুব ছোট বা দুর্বল তাকেই পুঁটিমাছের প্রাণ বলা হয়। - পরীক্ষার হলে মনে রাখবে ছোট মাছ মানেই কম আয়ু বা ক্ষীণ জীবন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাণী বা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যবাচক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার রূপক ও প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে বিবেচনা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0