প্রশ্নের বর্ণনা

a সময়ানুবর্তিতা
b আলস্য
c অকর্মণ্য
d দীর্ঘসূত্রতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীর্ঘসূত্রতা ১. কেন সঠিক: - ‘আঠারো মাসে বছর’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ বারো মাসের জায়গায় আঠারো মাসে বছর গণনা করা এবং এর ভাবগত অর্থ কোনো কাজের দীর্ঘসূত্রতা বা অতিরিক্ত বিলম্ব। - সাধারণ নিয়মের চেয়ে বেশি সময় নেওয়া বা কোনো কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত কালক্ষেপণ করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - এটি মূলত প্রবাদ বা প্রবচনের মতো হলেও এর মধ্যে বিশেষ রূপক অর্থ লুকিয়ে থাকে যা মুখস্থ করে আয়ত্ত করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার এই আঠারো মাসে বছর কাজের গতি দেখলে কোনো দিনই প্রজেক্ট শেষ হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে কাজে অতিরিক্ত বিলম্ব বা দীর্ঘসূত্রতা বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি অফিসের ফাইলের কাজে আঠারো মাসে বছর অবস্থা, সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। ব্যাখ্যা: কাজের দীর্ঘসূত্রতা বা অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সময়ানুবর্তিতা — সময়নিষ্ঠতা বা সঠিক সময়ে কাজ সম্পন্ন করার অবস্থাকে বোঝায়, যা দীর্ঘসূত্রতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) আলস্য — কর্মবিমুখতা বা কাজ করার অনীহাকে বোঝায়, কিন্তু আঠারো মাসে বছর মূলত কাজের অতিরিক্ত দীর্ঘসূত্রতা বা কালক্ষেপণ বোঝায়। C) অকর্মণ্য — যে কোনো কাজের উপযুক্ত নয় বা কোনো কাজ করতে পারে না এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা নির্দিষ্ট এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) দীর্ঘসূত্রতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোনো কাজ অহেতুক দীর্ঘায়িত করা বা অতিরিক্ত সময় নেওয়া বোঝাতেই এই বাগধারাটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হলো বারো মাসে বছর হওয়ার কথা থাকলেও আঠারো মাস লাগা মানে অনেক বেশি সময় নেওয়া বা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়া। - চাকরির পরীক্ষায় এই ধরনের সময়ক্ষেপণ সংক্রান্ত বাগধারা এলে দীর্ঘসূত্রতা অপশনটি প্রথম বিবেচনায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগে সময় বা দীর্ঘসূত্রতা সংক্রান্ত বাগধারাগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। - সমার্থক বাগধারা হিসেবে ধীর মন্থর বা কুম্ভীরাশ্রু জাতীয় শব্দের পার্থক্য ভালো করে বুঝে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0