প্রশ্নের বর্ণনা

a একাদশ (একের অধিক দশ)
b দম্পতি (জায়া ও পতি)
c নীলকণ্ঠ (নীল কণ্ঠ যার)
d দুর্ভিক্ষ (ভিক্ষার অভাব)
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একাদশ (একের অধিক দশ) ১. কেন সঠিক: - একাদশ শব্দটি সংখ্যাবাচক শব্দ হলেও এর গঠন প্রক্রিয়াটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে সংখ্যাবাচক শব্দ দুটির বিশেষ নিয়মে সমাস সাধিত হয়েছে যেখানে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণ অথবা দুটিই বিশেষ্য পদ মিলে অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে অন্য পদের মিলে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে এবং এটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = দেশান্তর ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে অন্য অর্থে দেশান্তর শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মাঝের পদ লুপ্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একাদশ (একের অধিক দশ) — এটি সঠিক উত্তর। B) দম্পতি (জায়া ও পতি) — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে। C) নীলকণ্ঠ (নীল কণ্ঠ যার) — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এটি অন্য কোনো অর্থ যেমন শিবকে বোঝায়। D) দুর্ভিক্ষ (ভিক্ষার অভাব) — এটি অবয়য়ীভাব সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে অভাব অর্থে অব্যয়ের যোগ রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে সবসময় দ্বিগু সমাস মনে না করে বাক্যের অর্থ ও ব্যাসবাক্যের গঠন খেয়াল করতে হবে। - কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক বা বিশেষ নিয়ম প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য এবং সমাসের নাম ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়। - একই শব্দ বিভিন্ন ব্যাসবাক্যের কারণে ভিন্ন সমাস হতে পারে, তাই বাক্যের অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0