প্রশ্নের বর্ণনা

a মারা যাওয়া
b কঠিন পরীক্ষা
c অপদার্থ
d দুর্লভ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মারা যাওয়া ১. কেন সঠিক: - 'অক্কা পাওয়া' একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যার আভিধানিক বা ভাবার্থ হলো মৃত্যু হওয়া বা প্রাণত্যাগ করা। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কথ্য ও লেখ্য রূপে গ্রামীণ বা আঞ্চলিক এই শব্দগুচ্ছটি মানুষের মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবময় অর্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণ ও বাক্যের ভাবার্থ অনুধাবন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃদ্ধ লোকটি অবশেষে অক্কা পেলেন। ব্যাখ্যা: এখানে অক্কা পাওয়া বাগধারাটি মৃত্যুর অর্থে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রিমোটের ব্যাটারিটি অক্কা পেয়েছে। ব্যাখ্যা: রূপক অর্থে কোনো যন্ত্র নষ্ট হয়ে যাওয়া বা অকার্যকর হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও মজা করে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারা যাওয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'অক্কা পাওয়া' বাগধারাটির মূল ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) কঠিন পরীক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ কঠিন পরীক্ষার জন্য 'অগ্নিপরীক্ষা' বা 'শরাবন তহুরা' জাতীয় বাগধারা প্রযোজ্য। C) অপদার্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অপদার্থ বা অকেজো বোঝাতে 'অগাধ জলের মাছ' বা 'উজানের carp' ব্যবহৃত হয় না, বরং 'অকেজো' বা 'কদমাল' বলা হয়। D) দুর্লভ — এই অপশনটি ভুল কারণ দুর্লভ বস্তু বোঝাতে 'আকাশ কুসুম' বা 'ঢাকের কাঠি' নয়, বরং 'দুর্লভ বস্তু' বোঝাতে 'হাতের পাঁচ' বা 'চান্দের হাটের চাঁদ' ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো ব্যক্তি হঠাৎ মারা গেলে আমরা বলি তিনি অক্কা পেয়েছেন, এটি মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। - বাগধারা পড়ার সময় আভিধানিক অর্থের চেয়ে এর ভেতরের অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৃত্যু অর্থে আরও কিছু জনপ্রিয় বাগধারা যেমন অনন্তধামে যাওয়া, পঞ্চত্বপ্রাপ্ত হওয়া, চিরনিদ্রায় যাওয়া বা অক্কা পাওয়া থেকে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা লেখার সময় কথ্য রূপের এই বাগধারাগুলো লেখার ক্ষেত্রে প্রসঙ্গের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0