প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b কালী প্রসন্ন সিংহ
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d দেবেন্দ্রেনাথ ঠাকুর
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নের আওতাভুক্ত। ‘আধ্যাত্মিকা’ ও ‘অভেদী’ উভয় গ্রন্থই বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনা। - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যে ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে পরিচিত এবং তাঁর ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও সমাজসংস্কারক। তিনি ডেভিড হেয়ারের ছাত্র এবং ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। - তাঁর রচিত ‘আধ্যাত্মিকা’ (১৮৬৮) একটি মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক উপদেশের গ্রন্থ এবং ‘অভেদী’ (১৮৭১) তাঁর অপর একটি উল্লেখযোগ্য চিন্তাশীল ও ধর্মীয় গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে প্রথমবার কথ্য বা আলালী ভাষা ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ‘যত মত তত পথ’ ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনায় এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাসিক পত্রিকা ‘মাসিক পত্রিকা’-র লেখার মাধ্যমে সমাজের সংস্কারমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক ও সমাজসংস্কারক, যার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বর্ণপরিচয়’ ও ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’, কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থ দুটির রচয়িতা নন। B) কালী প্রসন্ন সিংহ — ইনি ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ গ্রন্থের রচয়িতা এবং মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করেন, কিন্তু ‘আধ্যাত্মিকা’ বা ‘অভেদী’ তাঁর লেখা নয়। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং এই লেখকই উল্লিখিত দুটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। D) দেবেন্দ্রেনাথ ঠাকুর — ইনি একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক, যার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ রয়েছে, কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থ দুটির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্যারীচাঁদ মিত্রের নাম মনে রাখতে ‘প’ দিয়ে প্যারীচাঁদ এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ও প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন ‘আলালের ঘরের দুলাল’, ‘আধ্যাত্মিকা’ ও ‘অভেদী’-র কথা মনে রাখতে পারো। - এভাবে মনে রাখবে যে টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামের এই লেখক সমাজ সংস্কারের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ও নৈতিক গ্রন্থও লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ এবং তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্রায়ই আসে। - লেখকভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের অন্যান্য ছোট বা কম পরিচিত গ্রন্থগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0