প্রশ্নের বর্ণনা

a ‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি’
b ‘আরমান, আমার চিঠিটা দিয়ে এসো তো’
c আমি যদি জন্ম নিতেম কালিদাসের কালে।
d দোয়া করি, ধনী নয়, মানুষের মত মানুষ হও।
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 'সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি' ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা অন্য কাউকে নির্দিষ্ট স্থানে যেতে নিষেধ করেছেন, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনুরোধ বা প্রার্থীর প্রকাশ ঘটায়। - অনুজ্ঞাপদ বা ক্রিয়ার অনুজ্ঞা মূলত আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার যে রূপ দ্বারা আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, তাকে ক্রিয়ার অনুজ্ঞা বলে। - বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের মধ্যম পুরুষে অনুজ্ঞার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং নিষেধের ক্ষেত্রে বর্তমান কালের অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল একবার আমাদের বাড়ি এসো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা অন্য কাউকে বাড়িতে আসার জন্য আন্তরিক অনুরোধ প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: ভাই গরিবকে সাহায্য করো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে বক্তা শ্রোতাকে গরিবকে সাহায্য করার জন্য উপদেশ বা অনুরোধ জানাচ্ছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 'সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি' — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের অনুজ্ঞা ভাবের মাধ্যমে নিষেধ বা অনুরোধ প্রকাশ করেছে। B) 'আরমান, আমার চিঠিটা দিয়ে এসো তো' — প্রদত্ত উত্তর এ হিসেবে এই অপশনটিকে ভুল ধরা হয়েছে কারণ মূল প্রশ্নকর্তার বিচারে অন্য একটি অপশনকে সঠিক নির্ধারণ করা হয়েছিল। C) 'আমি যদি জন্ম নিতেম কালিদাসের কালে।' — এটি একটি অসমাপ্ত বাক্য বা শর্তসূচক বাক্য যা অতীতে অসম্ভব কল্পনার অর্থ প্রকাশ করে। D) 'দোয়া করি, ধনী নয়, মানুষের মত মানুষ হও।' — এটি একটি আশীর্বাদসূচক বা প্রার্থনা প্রকাশক বাক্য, যা অনুরোধের আওতাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বুঝলে তা ক্রিয়ার অনুজ্ঞা হিসেবে চিহ্নিত করবে। - সুরঞ্জনা কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিশেষ আবেদন বা অনুরোধের সুর রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুজ্ঞা পদ শুধুমাত্র মধ্যম পুরুষে গঠিত হয়। - নিষেধবাচক অনুজ্ঞায় ক্রিয়ার মূল রূপের সঙ্গে না বা নাকো যুক্ত থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0