প্রশ্নের বর্ণনা

a দুল্+অন
b দোল্+না
c দোল্+অনা
d দোলনা+অ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুল্+অন ১. কেন সঠিক: - দোলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে দুল ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। - এখানে উ কার ও কারে পরিবর্তিত হয়ে দোল ধাতু গঠিত হয় এবং পরে অন প্রত্যয় যোগে দোলনা পদটি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন পদ তৈরি করে। - দুল হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং অন হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা যোগে বিশেষ্য পদ সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চড়্+অন = চড়না ব্যাখ্যা: চড় ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চড়না শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: ভুল্+অন = ভুলনা ব্যাখ্যা: ভুল ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুলনা শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই প্রকৃতির কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুল্+অন — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে যা দোলনা শব্দ গঠন করে। B) দোল্+না — এখানে দোল কে ধাতু হিসেবে দেখানো হয়েছে এবং না কে প্রত্যয় ধরা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) দোল্+অনা — এখানে অনা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) দোলনা+অ — এখানে সম্পূর্ণ শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত অ প্রত্যয় দেখানো হয়েছে যা কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়ম বহির্ভূত। ৫ মনে রাখার টিপস: - দোলনা শব্দের মূল ধাতু হলো দুল এবং এর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়। - পরীক্ষার হলে দোল দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে মূল ধাতু দুল মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধাতু চেনার সময় ক্রিয়ার মূল রূপটি ধরতে হবে যেমন দুল থেকে দোল। - কৃৎ প্রত্যয় সংক্রান্ত এমন প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0