প্রশ্নের বর্ণনা

a কায়কোবাদ
b যাযাবর
c গাজী মিয়া
d দৌলত উজির
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাজী মিয়া ১. কেন সঠিক: মীর মোশাররফ হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে 'গাজী মিয়া' ব্যবহার করতেন। তিনি তাঁর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'উদাসীন পথিকের মনের কথা' গ্রন্থে এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। তাঁর জন্ম ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর লাহিনীপাড়া গ্রামে এবং মৃত্যু ১৯১২ সালে। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো ঐতিহাসিক নাটক 'বিষাদ সিন্ধু'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদাসীন পথিকের মনের কথা ব্যাখ্যা: এটি মীর মোশাররফ হোসেনের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যেখানে তিনি গাজী মিয়া ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন। উদাহরণ ২: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক একটি ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — এটি কবি কাজেম আল কোরেশীর সাহিত্যিক নাম বা ছদ্মনাম। B) যাযাবর — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কলামিস্ট বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম। C) গাজী মিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মীর মোশাররফ হোসেন এই নামেই সাহিত্য রচনা করতেন। D) দৌলত উজির — এটি কোনো ছদ্মনাম নয়, বরং মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি দৌলত উজির বাহরাম খাঁর নাম। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মোশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি গাজী মিয়া সেজে উদাসীন পথিকের মনের কথা লিখেছিলেন। ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মীর মোশাররফ হোসেনের জন্ম, মৃত্যু, ছদ্মনাম এবং 'বিষাদ সিন্ধু' ও 'জমীদার দর্পণ' গ্রন্থগুলোর নাম বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো 'রত্নবতী'।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0