প্রশ্নের বর্ণনা

a আলাওল
b মরদন
c মাগন ঠাকুর
d দৌলত কাজী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাগন ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্রাবতী' কাব্যটি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের বাঙালি মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর বা দৌলত কাজীর সমসাময়িক কবি মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি আলাওলের পৃষ্ঠপোষক এবং মন্ত্রী ছিলেন, যিনি আলাওলকে চন্দ্রাবতী কাব্য রচনায় অনুপ্রাণিত করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার (রোসাং রাজসভা) একজন প্রখ্যাত মন্ত্রী ও সাহিত্যপ্রেমিক অমাত্য ছিলেন। - তার অনুরোধেই কবি আলাওল সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী বা চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা সম্পন্ন করেন যা মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: মাগন ঠাকুরের অনুপ্রেরণায় কবি আলাওল এই বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্যটি রচনা করেন। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: আলাওলের অপর একটি অমর সৃষ্টি যা মাগন ঠাকুরের রাজসভাতেই রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল এই কাব্যের রচয়িতা নন, বরং তিনি মাগন ঠাকুরের অনুরোধে কাব্যটি রচনা করেছিলেন। B) মরদন — মরদন মধ্যযুগের একজন কবি যিনি নসিবনামা কাব্য রচনা করেছেন কিন্তু চন্দ্রাবতী কাব্যের রচয়িতা নন। C) মাগন ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনার মূল অনুপ্রেরণা ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। D) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী আরাকান রাজসভার আরেকজন বিখ্যাত কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য শুরু করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের কাব্যে পৃষ্ঠপোষক বললে মাগন ঠাকুরের নাম এবং তার সভাকবি হিসেবে আলাওলের নাম মনে রাখবে। - চন্দ্রাবতী কাব্য রচনার পেছনের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন মন্ত্রী মাগন ঠাকুর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আরাকান রাজসভার সাহিত্যচর্চা এবং মুসলিম কবিদের অবদান থেকে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পৃষ্ঠপোষক এবং মূল রচয়িতার পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0