প্রশ্নের বর্ণনা

a অষ্টাদশ শতাব্দীতে
b ষোড়শ শতাব্দীত
c চতুর্দশ শতাব্দীতে
d দ্বাদশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অষ্টাদশ শতাব্দীতে ১. কেন সঠিক: - পুঁথি সাহিত্যের মূল বিকাশ ও স্বর্ণযুগ ঘটেছিল অষ্টাদশ শতাব্দীতে, যদিও এর সূচনা সপ্তদশ শতক থেকে হয়েছিল। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই ধারাটিকে দোভাষী পুঁথি সাহিত্য বলা হয়, যা মূলত মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুঁথি সাহিত্য বলতে ফার্সি, আরবি ও হিন্দি ভাষার শব্দমিশ্রণে বাংলা লিপিতে রচিত কাব্য ধারাকে বোঝানো হয়। - সৈয়দ হামজা, ফকির গরিবুল্লাহ প্রমুখ কবি এই শতকে বিখ্যাত পুঁথি রচনা করে এই ধারাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমীর হামজা ব্যাখ্যা: ফকির গরিবুল্লাহ রচিত অষ্টাদশ শতাব্দীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত পুঁথি সাহিত্য। উদাহরণ ২: সোনাভান ব্যাখ্যা: কবি ফকির গরিবুল্লাহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত পুঁথি কাব্য যা তৎকালীন সমাজে ভীষণ জনপ্রিয় ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টাদশ শতাব্দীতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই শতাব্দীতেই পুঁথি সাহিত্য ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল। B) ষোড়শ শতাব্দীতে — এটি চৈতন্য যুগ বা বৈষ্ণব পদাবলীর স্বর্ণযুগ, পুঁথি সাহিত্যের সময়কাল এটি নয়। C) চতুর্দশ শতাব্দীতে — এটি বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সময়কালের কাছাকাছি, পুঁথি সাহিত্যের নয়। D) দ্বাদশ শতাব্দীতে — এই সময়ে চর্যাপদ রচিত হয়েছিল এবং এটি সেন রাজবংশের শাসনকাল ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সাহিত্যের বিকাশ অষ্টাদশ শতকে ঘটেছে তা মনে রাখতে সংখ্যাটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - মধ্যযুগের শেষভাগে মিশ্র ভাষার চর্চা বেশি হয়েছিল বলে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পুঁথি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ও তাদের রচনা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ ও নির্দিষ্ট শতাব্দীর সাহিত্যধারা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0