প্রশ্নের বর্ণনা

a তৎপুরুষ
b অব্যয়ীভাব
c কর্মধারয়
d দ্বিগু
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: মৌমাছি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মৌ সংগ্রহকারী মাছি। এখানে মৌ বা মধু সংগ্রহকারী বিশেষণের সঙ্গে মাছি বিশেষ্য পদটি যুক্ত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করেছে এবং পরপদ মাছির অর্থ প্রধানরূপে প্রতীত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ অবস্থান করে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে মৌ সংগ্রহকারী হলো ব্যাসবাক্যের উপপদ এবং মাছি হলো মূল বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাপোকা ব্যাসবাক্য জল প্রদানকারী পোকা। এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কারণ পোকা প্রধান। উদাহরণ ২: কথাসাহিত্যিক ব্যাসবাক্য কথা বা সাহিত্য রচনা করেন যিনি। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে উপপদের সঙ্গে বিশেষ্যের সম্পর্ক রয়েছে। B) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা মৌমাছি শব্দে ঘটে নাই। C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যাবাচক শব্দ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো পদের ব্যাসবাক্যে যদি যিনি, যা বা সংগ্রহকারী জাতীয় শব্দ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কর্মধারয় সমাস প্রায়ই আসে। ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় শব্দের মূল অর্থ ও পদের ধরন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0