প্রশ্নের বর্ণনা

a চন্দ্রাবতী
b দ্বিজ কানাই
c মনসুর বয়াতি
d দ্বিজ ঈশান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিজ কানাই ১. কেন সঠিক: - মৈমনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ পালা হলো মহুয়া। এই পালার মূল রচয়িতা দ্বিজ কানাই, যিনি পালাটির আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত। - দ্বিজ কানাই কবি দীনেশ চন্দ্র সেন সংকলিত মৈমনসিংহ গীতিকার প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ মহুয়া পালার রূপকার হিসেবে অমর হয়ে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৈমনসিংহ গীতিকা হলো পূর্ববঙ্গ গীতিকার একটি বিশেষ অংশ যা ডক্টর দীনেশ চন্দ্র সেন কর্তৃক সংকলিত ও সম্পাদিত হয়। ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। - মহুয়া পালাটি নদের চাঁদ ও বেদে কন্যা মহুয়ার প্রেম ও ট্র্যাজিক পরিণতির কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি মৈমনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা যার রচয়িতা চন্দ্রাবতী। উদাহরণ ২: দেওয়ানা মদিনা ব্যাখ্যা: মৈমনসিংহ গীতিকার এই পালাটির রচয়িতা মনসুর বয়াতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রাবতী — ইনি মৈমনসিংহ গীতিকার মলুয়া পালার রচয়িতা এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি। B) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। C) মনসুর বয়াতি — ইনি মৈমনসিংহ গীতিকার দেওয়ানা মদিনা ও দুলুয়া পালার রচয়িতা। D) দ্বিজ ঈশানের — ইনি মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়া পালার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন তবে অন্য সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মহুয়া কানাই গান গায় এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে মহুয়া পালার রচয়িতা দ্বিজ কানাইকে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৈমনসিংহ গীতিকার সংকলক ও বিভিন্ন পালার রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পূর্ববঙ্গ গীতিকার মোট চার খণ্ডে বিভক্ত লোকসাহিত্য সংকলনটির প্রধান সংগ্রহকারী ছিলেন চন্দ্রকুমার দে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0