প্রশ্নের বর্ণনা

a তৃতীয় বর্ণ
b দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
c প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
d দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার বর্গের বর্ণগুলোকে উচ্চারণের সময় বায়ুপ্রবাহের মাত্রা ও অনুনাদ বা ঘোষতার ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। - দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর থেকে অতিরিক্ত বাতাস বা নিঃশ্বাস নির্গত হয় বলে এদের মহাপ্রাণধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক-বর্গের মতাে পাঁচটি বর্গের প্রতি বর্গের পঁচিশটি বর্ণকে উচ্চারণের স্বাতন্ত্র্যের জন্য অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস মুখ দিয়ে বের হওয়ার সময় যদি কম জোর বা কম বাতাস লাগে তবে তাকে অল্পপ্রাণধ্বনি এবং বেশি বাতাস বা প্রাণবায়ু নির্গত হলে তাকে মহাপ্রাণধ্বনি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খ ও ঘ ব্যাখ্যা: ক-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ খ এবং চতুর্থ বর্ণ ঘ উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত বাতাস বের হয়, তাই এগুলো মহাপ্রাণধ্বনি। উদাহরণ ২: ছ ও ঝ ব্যাখ্যা: চ-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ ছ এবং চতুর্থ বর্ণ ঝ উচ্চারণের সময় বেশি শ্বাসবায়ু লাগে, তাই এগুলো মহাপ্রাণধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৃতীয় বর্ণ — তৃতীয় বর্ণগুলো অল্পপ্রাণধ্বনি ও ঘোষধ্বনি, তাই এটি ভুল। B) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর। C) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ — প্রথম বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ, তাই এটি ভুল। D) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ — দ্বিতীয় বর্ণ মহাপ্রাণ হলেও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজোড় বর্ণ যেমন প্রথম ও তৃতীয় হলো অল্পপ্রাণধ্বনি। - জোড় বর্ণ যেমন দ্বিতীয় ও চতুর্থ হলো মহাপ্রাণধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি তত্ত্ব থেকে বর্গের বর্ণসমূহের এই শ্রেণিবিন্যাস প্রায়ই আসে। - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চেনার জন্য জোড় ও বিজোড় সংখ্যার এই নিয়মটি মনে রাখা অত্যন্ত কার্যকর।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0