প্রশ্নের বর্ণনা

a পঞ্চমী
b চতুর্থী
c তৃতীয়া
d দ্বিতীয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: - ‘গা-ঢাকা’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো গাকে ঢাকা। এখানে ‘গা’ শব্দের অর্থ শরীর এবং ‘ঢাকা’ অর্থ লুকানো বা আবৃত করা। - কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) যুক্ত হয়ে এই তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়েছে, যেখানে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) লোপ পেয়ে সমাস হয়, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। - সাধারণত কর্মকারক বা ব্যাসবাক্যে কর্ম বোঝাতে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার ঘটে এবং সমাসবদ্ধ হয়ে তা লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: এখানে ‘বিপদকে’ শব্দের ‘কে’ দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত ব্যাখ্যা: এখানে ‘দুঃখকে’ পদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চমী — পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাসে হইতে, থেকে, চেতে বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু এখানে তা নেই। B) চতুর্থী — চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে নিমিত্ত বা জ্য অর্থে বিভক্তি লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) তৃতীয়া — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে দ্বারা, দিয়া, কর্ত্তৃক বিভক্তি লোপ পায়, এখানে তা নেই। D) দ্বিতীয়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এখানে গাকে ঢাকা ব্যাসবাক্যে দ্বিতীয়া বিভক্তি রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরীর বা অঙ্গ লুকানোর ক্ষেত্রে ‘কে’ বিভক্তি ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করলে তা দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হবে। - গাকে ঢাকা বা বিপদকে আপন্ন জাতীয় শব্দ দেখলে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্য করে বিভক্তি চিহ্নিত করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। - বিভক্তির রূপ (কে, রে) দেখেই দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0